MS Word 2007 ( মাইক্রোসফট-ওয়ার্ড )

MS Word 2007 ( মাইক্রোসফট-ওয়ার্ড )

মাইক্রোসফট অফিস কি ধরণের সফটওয়্যার ?

আমরা স্কুল এর সময় গুলিতে অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি এবং উপস্থাপনা করতাম এই MS Office নিয়ে। কিন্তু এটা কি এখন বাস্তবসম্মত ? হ্যাঁ, অবশ্যই, এটা। 

কম্পিউটার ব্যবহার করেন এমন প্রায় প্রত্যেকেরই একটি স্প্রেডশীট, ওয়ার্ড প্রসেসর এবং উপস্থাপনা সফ্টওয়্যার দ্বারা গঠিত একটি অফিস সফ্টওয়্যার স্যুট এর প্রয়োজন হয়।

মাইক্রোসফট অফিসের মধ্যে কি কি থাকে ?

মাইক্রোসফট অফিস হল আন্তঃসম্পর্কিত ডেস্কটপ অ্যাপ্লিকেশনের একটি সেট আপ যেমন – 

  •  Microsoft Access: Microsoft Access হল একটি ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, এটি জেট ডাটাবেস ইঞ্জিনের উপর ভিত্তি করে নিজস্ব ফরম্যাটে ডেটা সঞ্চয় করে রাখে।
  •  Microsoft Excel: Microsoft Excel হল একটি স্প্রেডশীট যা তৈরি হয় সফটওয়্যার কোম্পানির Microsoft দ্বারা। Microsoft Excel এর বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য হল গ্রাফিক্স টুল, পিভট টেবিল এবং অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ভিজ্যুয়াল বেসিক নামে একটি ম্যাক্রো প্রোগ্রামিং language.
  •  Microsoft Outlook: মাইক্রোসফ্ট আউটলুক কে একটি স্বতন্ত্র অ্যাপ্লিকেশন হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে এবং এটি shared মেইলবক্স, ক্যালেন্ডার, exchange পাবলিক ফোল্ডার, শেয়ার পয়েন্ট list এবং মিটিং শিডিউলের মত একাধিক ব্যবহারকারীর দের জন্য মাইক্রোসফ্ট এক্সচেঞ্জ সার্ভার এবং মাইক্রোসফ্ট শেয়ার পয়েন্ট সার্ভারের সাথে কাজ করতে পারে।
  •  Microsoft OneNote: Microsoft OneNote হল Microsoft Office এবং Windows 10-এর একটি অংশ। এটি Windows, Windows ফোন, Mac অপারেটিং সিস্টেমের জন্য একটি বিনামূল্যের স্বতন্ত্র অ্যাপ্লিকেশন হিসেবেও উপলব্ধ রয়েছে। মাইক্রোসফ্ট ওয়ান নোট হল মাইক্রোসফ্ট অফিসের একটি ওয়েব-ভিত্তিক সংস্করণ।
  •  Microsoft Word: Microsoft Word হল একটি গ্রাফিক্যাল ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম। এটি documents পরিচালনা এবং share করা যেমন ইমেল, বই, প্রতিবেদন এবং চিঠির মতো বিভিন্ন নথি সম্পাদনা এবং তৈরি করা এবং গ্রাফিক ডিজাইন সহ ছবি, চার্ট, ডায়াগ্রামের মতো একটি ব্যবসায়িক নথি তৈরি করার মত কাজ করে থাকেন। 
  •  Microsoft PowerPoint: PowerPoint হয়ে উঠেছে একটি কম্পোনেন্ট মাইক্রোসফট অফিস স্যুট। এটি মূলত designed করা হয়েছে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাথে গ্রুপ উপস্থাপনার জন্য ভিজ্যুয়ালিটি প্রদান করতে।

Microsoft office এর কাজ কি ?

Microsoft Office হল অফিস-সম্পর্কিত অ্যাপ্লিকেশন গুলির একটি সেটআপ যা মূলত ব্যবসা বা অফিসের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়।

MS অফিস প্রাথমিক অফিসের কাজ গুলিকে সহজ করতে এবং কাজের ফলাফলকে আরও উন্নত করতে ব্যবহৃত হয়।

MS WORD

  • এটি প্রথম release হয় অক্টোবর এর 25 তারিখে, 1983 সালে।
  • Doc ফাইলের এক্সটেনশন হল “.doc”।
  • এটি প্রচন্ড পরিমাণে ব্যবহৃত হয় Text Document তৈরিতে।
  • MS WORD এর সাহায্যে বিভিন্ন ধরণের টেমপ্লেট তৈরি করা যেতে পারে।
  •  ওয়ার্ক আর্ট, রঙ, ছবি, অ্যানিমেশন একই ফাইলে পাঠ্যের সাথে যোগ করা যেতে পারে যা একটি নথি আকারে ডাউনলোডযোগ্য।
  •  লেখকরা তাদের কাজ লিখতে/সম্পাদনা করতে ব্যবহার করতে পারেন এই MS WORD।

MS EXCEL

  • প্রধানত ডেটাবেজ তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
  • এটা ডেটা প্রসেসিং এ ব্যবহার করা হয়।
  • একটি স্প্রেডশীটে row এবং কলামের আকারে গ্রিড থাকে যা পরিচালনা করা অনেক সহজ হয় এবং কাগজের প্রতিস্থাপন হিসাবে এটিকে ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • MS EXCEL ব্যবহার করে ট্যাবুলার ফরম্যাটে বড় ডেটাকে সহজেই পরিচালনা এবং সংরক্ষণ করা যায়।
  • সেকেন্ডের মধ্যে স্প্রেডশীটের cell এ প্রবেশ করা বিপুল পরিমাণ ডেটার উপর ভিত্তি করে গণনা করা যেতে পারে খুব সহজেই।
  • যখন কম্পিউটারে সংরক্ষিত হয় তখন এর ফাইল এক্সটেনশন থাকে “.xls” আকারে।

MS POWERPOINT

  • এটি release হয় এপ্রিলের 20 তারিখে, 1987 সালে।
  • অডিও ভিসুয়াল প্রেজেন্টেশন তৈরি করতে এটা ব্যবহার করা হয়।
  • একটা প্রেজেন্টেশন অনেকগুলো স্লাইড নিয়ে তৈরি হয়, যেগুলোতে ডেটা অথবা ইনফরমেশন থাকে। 
  • প্রতিটি স্লাইড এর মধ্যে অডিও, ভিডিও, গ্রাফিক্স, টেক্সট, বুলেট নম্বরিং, টেবিল ইত্যাদিও থাকতেই পারে।
  • এটির ক্ষেত্রে ফাইল এক্সটেনশন, যখন কম্পিউটারে সংরক্ষিত হয়, তা হল “.ppt” আকারে।
  • বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি professional কাজে ব্যবহার করা হয়।
  • PowerPoint ব্যবহার করে presentation তৈরী করলে session আরো interactive হয়ে ওঠে।

MS ACCESS

  • এটি release হয় নভেম্বরের 13 তারিখে, 1992 সালে।
  • এটা একটি database management software (DBMS)।
  • টেবিল কোয়ারিস ফর্ম এবং রিপোর্ট এই MS ACCESS এর মাধ্যমে তৈরি হয়।
  • অন্যান্য ফরমেটে ডেটার ইমপোর্ট এক্সপোর্ট এই MS ACCESS ই করে থাকে।
  • এই ফাইল এর এক্সটেনশন টি হল “.accdb”

MS ONENOTE

  • এটি release হয় নভেম্বরের 19 তারিখে, 2003 সালে।
  • এটি একটি নোট টেকিং অ্যাপ্লিকেশন।
  • নোটের মধ্যে টেক্সট ইমেজ টেবিল সমস্ত কিছু ইনক্লুড থাকতে পারে।
  • অনলাইন এবং অফলাইন দুটোতেই ব্যবহার করা হয় এবং এটি একটি মাল্টি ইউজার অ্যাপ্লিকেশন।
  • এর ফাইল এক্সটেনশন টি হল “.one”

MS OUTLOOK

  • এটা রিলিজ হয়েছিল 16th জানুয়ারি, 1997 এ।
  • এটি একটা পার্সোনাল ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
  • এটি সিঙ্গেল ইউজার অ্যাপ্লিকেশন এবং মাল্টি ইউজার অ্যাপ্লিকেশন দুটোর ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
  • এটি অফিস suite এর ইমেল ক্লাইন্ট হিসেবেই ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
  • এটার ফাইল এক্সটেনশন টি হল “.accdb”

মাইক্রোসফট কোম্পানীর প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস ও সহপ্রতিষ্ঠাতা পাউল এলিন ১৯৮১ সালে জেরক্স কোম্পানীর দুইজন প্রোগ্রামারকে ভাড়া করে একটি ওয়ার্ড প্রোসেসিং প্রোগ্রাম তৈরির জন্য। তারা দু্জন মিলে একটি প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং এর নামদেয় ইয়াসিইয়াগ ওয়ার্ড প্রোসেসর। ওয়ার্ড ১.০ ১ম ভার্সনটি ১৯৮৩ সালে অক্টোবর মাসে জেনিক্স এবং MS-DOS অপারেটিং এর জন্য প্রকাশ করা হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় ওয়ার্ড এর এই রকম ৪টি ভার্সন বাজার ধরতে ব্যার্থ হয়। ১৯৮৫ সালে মাইক্রোসফট Windows এর প্রথম ভাড়ে। যখন ১৯৯০ সালে Windows এর ৩.০ ভার্সন ছাড়া হয়, তখন ওয়ার্ড ব্যবসায়িক একটি প্রোগ্রামে পরিণত হয়। ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত ওয়ার্ড এর নাম ওয়ার্ড ছিল এবং এটি ওয়ার্ড ৬.০ ভার্সন ছিল। এরপরে এর নাম পরিবর্তন করে ওযার্ড৯৫, ওয়ার্ড৯৭, ওয়ার্ড২০০০, মি, অফিস এক্সপি, ওয়ার্ড২০০৩, ওয়ার্ড২০০৭, ২০১০, ২০১৩, ২০১৬ ও ২০১৯ করে। বর্তমানে মাইক্রোসফট অফিস ওয়ার্ড ২০১৯ ও অফিস৩৬৫ ওয়ার্ড চালু আছে। প্রতি ৩ বছর পরপর মাইক্রোসফট অফিস এর নতুন ভার্সন চালু করা হয়।

আসসালামুয়ালাইকুম মাইক্রোসফট ওয়ার্ড 2007 টি-টোয়েন্টিতে আপনাদের স্বাগতম । আপনারা যারা মাইক্রোসফট 2007 শিখতে চান তাদের খুব সহজে করে ওয়ার্ড এর কাজগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

আপনারা সুবিধার জন্য নিচে ইনডেক্স এর মত মূল্য টপিক গুলো দেওয়া হল এবং আপনি এই টপিক এ যেন তার সেই টপিকের উপর ক্লিক করে আপনি চলে আসবেন । (এখানে সব টপিক দেওয়া হয় নাই শুধু ইম্পর্টিং টপিক দেওয়া হল )

বৈশিষ্ট্য

মাইক্রোসফট এক্সেল হচ্ছে একটি স্প্রেডশিট অ্যানালাইসিস প্রোগ্রাম। আক্ষরিক অর্থে “স্প্রেডশিট” হলো ছককাটা বড় মাপের কাগজ, যেখানে হিসেবাদির কাজ সম্পন্ন হয়। কাগজের স্প্রেডশিটের ঠিক অনুরূপ হচ্ছে মাইক্রোসফট এক্সেল। বিশেষ কিছু কারিগরি দক্ষতা জানা থাকলে এই প্রোগ্রাম সহজেই ব্যবহার করা যায়। ব্যবসায়িক কাজ ছাড়াও শিক্ষা ও দাপ্তরিক কাজেও এর ব্যবহারের গুরুত্ব আছে।

ফাংশন

এক্সেল ২০১৬তে ৪৮৪টি ফাংশন রয়েছে।  এ ৪৮৪টি ফাংশনের মধ্যে ৩৬০টি এক্সেল ২০১০-এই অন্তর্ভুক্ত ছিলো। মাইক্রোসফট এর ফাংশনসমূহকে ১৪টি শ্রেণিতে ভাগ করে। এর মধ্যে ৩৮৬টি ফাংশনকে ভিবিএ বা ভিজুয়াল বেসিক অ্যাপলিকেশন বলা হয়।

মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট

মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট মাইক্রোসফটের তৈরি একটি স্লাইড শো উপস্থাপনা প্রোগ্রাম। মাইক্রোসফট অফিস স্যুটের অংশ হিসাবে এটি চালু হয় ২২ মে, ১৯৯০।

ইতিহাস

ডেনিশ অস্টিন ও থমাস রুডকিন মাকিন্টোশ পিসির জন্য প্রথম একটি উপস্থাপনা প্রোগ্রাম তৈরি করেন, ফরথট ইঙ্ক কম্পানির হয়ে। ১৯৮৭ সালে ট্রেডমার্কজনিত কারণে এর পুনঃনামকরন করা হয় পাওয়ারপয়েন্ট, নামটির ধারণা দেন রবার্ট গাস্কিন্স একই বছরের আগস্ট মাসে মাইক্রোসফট এটি ১৪ মিলিয়ন ডলারে কিনে নেয়। (বর্তমান বাজারমুল্যে ২৯.১ মিলিয়ন ডলার), এবং মাইক্রোসফটের প্রথম গ্রাফিকাল ব্যবসায়ী ইউনিট যাত্রা শুরু করে এবং সফটওয়্যারটির আরও উন্নতি শাধন করে। ২২ মে ১৯৯০, পাওয়ারপয়েন্ট আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে, একই দিনে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ৩.০ মুক্তি দেয়।

Rubel

Related Travel Posts

কীবোর্ড কি ? কীবোর্ড কত প্রকার ও কি কি – (About keyboard in Bangla)

কীবোর্ড কি ? কীবোর্ড কত প্রকার ও কি কি – (About keyboard in Bangla)

আধুনিক কম্পিউটারের জনক কে । কম্পিউটার কে আবিষ্কার করেন

আধুনিক কম্পিউটারের জনক কে । কম্পিউটার কে আবিষ্কার করেন

ল্যাপটপ কি ? ল্যাপটপ দিয়ে কি কি কাজ করা যায়

ল্যাপটপ কি ? ল্যাপটপ দিয়ে কি কি কাজ করা যায়

ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ

ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ

No Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Recent Posts

Tags